话说那天,我 হঠাৎ করেই জানতে ইচ্ছা হলো আমার ভোটার আইডি কার্ডে যে ঠিকানা দেয়া আছে, সেটা আসলে কোন ধরনের এলাকার মধ্যে পড়ে। মানে, আমার户口性质টা আসলে কী? আগে জানতাম দুই ধরনের হয়, একটা হলো গ্রামের, আরেকটা শহরের। এখন শুনি আরও ভাগ আছে। তো, ভাবলাম, নিজেই একটু খোঁজ-খবর নেই।
প্রথমে ভাবলাম, সবচেয়ে সহজ বুদ্ধি হলো নিজের ভোটার আইডি কার্ড আর জন্ম নিবন্ধনটা নিয়ে সোজা চলে যাবো যেখানে ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছিলাম, মানে উপজেলা নির্বাচন অফিসে। কিন্তু পরে ভাবলাম, আগে একটু অনলাইনে ঘেঁটে দেখি, কোনো সহজ রাস্তা পাওয়া যায় কিনা।

তখন কয়েকটা ওয়েবসাইটে দেখলাম, লেখা আছে যে, নিজের户口性质 জানার জন্য নাকি সরাসরি যেতে হবে যেখানে আমার নাম-ঠিকানা রেজিস্টার করা আছে, সেই এলাকার থানা বা পৌরসভায়।
ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা
- প্রথম ধাপঃ ভাবলাম, গুগলে সার্চ করে দেখি, আশেপাশে কোনো থানা বা পৌরসভার ফোন নম্বর পাই কিনা।
- দ্বিতীয় ধাপঃ কয়েকটা নম্বর পেলামও। কিন্তু ফোন করে যা বুঝলাম, সরাসরি না গেলে নাকি ওনারা কিছুই বলতে পারবেন না।
তখন বুঝলাম, আর কোনো উপায় নেই। অগত্যা, ঠিক করলাম, নিজেই যাবো। ভোটার আইডি কার্ড আর জন্ম নিবন্ধন সনদটা সাথে নিলাম।
শেষমেশ যা হলো
গেলাম সেই অফিসে, যেখানে আমার নাম-ঠিকানা রেজিস্টার করা। যাওয়ার পর এক ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, আমার户口性质টা কীভাবে জানা যাবে। উনি বললেন, "আপনার ভোটার আইডি কার্ড আর জন্ম নিবন্ধনটা দিন।" দিলাম। উনি কম্পিউটারে কী সব যেন করলেন, তারপর বললেন, "আপনার户口 তো দেখছি 'সাধারণ আবাসিক' এলাকায়।"
শুনে শান্তি পেলাম। ঝামেলা শেষ। আসলে, ব্যাপারটা যতটা কঠিন ভেবেছিলাম, ততটা কঠিন ছিল না। শুধু একটু সময় নিয়ে যাওয়া-আসার ব্যাপার। আর হ্যাঁ, যাওয়ার সময় অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধন সাথে নিতে ভুলবেন না কিন্তু!












